শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিআইইউতে গবেষণা বিষয়ক সেমিনার বড়াইগ্রামে ট্রাক মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ দুইজন নিহত কাঁচাবাজারের সরকারি জমি দখল উপজেলা প্রশাসনের, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা শার্শার বাগআঁচড়ায় সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ। আহত-১ দুমকীতে গভীর রাতে হাত পা বেঁধে ফিল্মি স্টাইলে ডাকাতি! জিপিএ পদ্ধতি বাতিলের দাবি শিক্ষার্থীদের থট অফ রমাদানের ব্যতিক্রম আয়োজন ” বিবেক দংশন ” – নাজমুল হুদা শিথিল। শার্শার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গনি’র মুত্যু, দাফন সম্পন্ন। কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো কাকিনা স্টুডেন্টস ফোরাম চকরিয়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যু নাটোরে চাঞ্চল্যকর কৃষক হত্যার খুনীদের ফাঁসির দাবি বড়াইগ্রাম-বনপাড়া পৃথক উপজেলা গঠণের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা মেহেদীর জন্য সাহায্যের হাত বাড়ান দুমকীতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে গরিব অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। ভেড়ামারায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর পাবিপ্রবিতে বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রলীগের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান রেইনের ইফতার বিতরণ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে চিকিৎসা বোর্ড গঠন করেও বাঁচানো গেলো না সিংহী নদীকে নাটোরের মেয়ে সুমাইয়া সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষায় দেশ সেরা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন নোবিপ্রবি উপাচার্যকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ; বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিবাদ চকরিয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক পাবিপ্রবিতে রসায়ন পরিবারের ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন। দুমকীতে আইসক্রিমের লোভ দেখিয়ে শিশু বলাৎকারের অভিযোগ! নোবিপ্রবিতে STEM ED ক্লাবের কমিটি ঘোষণা 

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আন্ডার ওয়ার্ল্ড কাঁপানো সেই সিরাজ মারা গেছেন

ওয়াই.এ. মিফতা, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ১১৭ ০০০ বার

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আন্ডার ওয়ার্ল্ড কাঁপানো বাহিনী প্রধান কুষ্টিয়া আমবাড়ীয়ার সেই সিরাজ মারা গেছেন!

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলা হালসা আমবাড়ীয়া গ্রামের সেই সিরাজ বাহিনীর প্রধান সিরাজ (৬৫) ইন্তেকাল করেছেন বলে সংবাদ পাওয়া গেছে। গত রাতে লন্ডনে একটি মসজিদে নামাজরত অবস্হায় স্টোকজনিত কারনে মৃত্যবরন করেন (ইন্না ল্লিাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যকালে এক ছেলে এক মেয়ে রেখে গেছেন।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আন্ডার ওয়ার্ল্ড কাঁপানো দুর্ধর্ষ ক্যাডার সিরাজ। এক সময়ে তার বাহিনীর দাপটে কাঁপতো কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। ১৯৯৯ সালের ২৩ জুলাই কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে সিরাজ তার ১০৮ সহকর্মীসহ আত্মসমর্পণ করে৷ সিরাজ বাহিনী আত্মসমর্পণ করায় কুষ্টিয়ার আমবাড়িয়াসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এখন পর্যন্ত শান্ত। কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে যেখানে প্রতিদিন খুনের হোলিখেলা শুরু হয়েছিল। সকালে ঘুম ভাঙলেই লাশের মিছিল। এই রক্তের হোলি খেলা বন্ধ করেন দেশের বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জননেতা নাসিম। তার সন্ত্রাস বিরোধী বক্তব্য আর সন্ত্রাসীদের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা সন্ত্রাসীদের পিলে চমকে দেয়। অস্ত্রসহ সন্ত্রাসীদের আত্মসর্ম্পন দেশের মানুষকে তাক লাগিয়ে দেয়।
আজ সেই বিপ্লবী, প্রতিবাদী, বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ নাসিম চলে গেছেন পরপারে। কিন্তু তার
সন্ত্রাস বিরোধী কর্মকান্ড জাতি যুগ যুগ স্মরণ করবে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদান করায় দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
হক্কানী দরবারের পরিচালক সাংবাদিক এম খালিদ হোসাইন সিপাহী এই গুণী নেতার কর্মকান্ডকে স্মরণ করে বলেন, কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামের সন্ত্রাসীদের আত্মসর্ম্পন দেশের সন্ত্রাস দমনে মাইলফলক। নির্ভিক, ত্যাগী নেতা নাসিমের কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ সন্ত্রাসীদের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছে। সন্ত্রাসীরাও তারা সঠিক পথ পেয়েছে।

১৯৯৯ সালের ২৩ জুলাই কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে সিরাজ তার ১০৮ সহকর্মীসহ আত্মসমর্পণ করে। সে সময় সিরাজ আত্মসমর্পণ করলেও তার বাহিনীর একাংশ বাইরে রয়ে যায়৷
পরে সিরাজ বাহিনীর এক সদস্য প্রশাসনের নিকট আটক হলে তিনি জানায় , ১৯৯৯ সালে কুষ্টিয়ার সিরাজ বাহিনীর কিছু সদস্য অস্ত্র সমর্পণ করে। বাকী সদস্যরা স্বাভাবিক জীবনযাপনের চেষ্টা করেও ফিরে আসতে পারেনি। তাই চরমপন্থী নুরুজ্জামান লাল্টুর ‘বাংলার কমিউনিস্ট’ বাহিনীতে যোগ দেয়। পেছনে ফেলে আসা দিনগুলির স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, সিরাজ বাহিনী মানুষকে ধরে এনে ইটের ভাটায় জীবন্ত পুড়িয়ে মারত। দামুড়হুদা থানার নতিপোতা ইউপি সদস্য মতেহার আলীকে হাত-পা বেঁধে চিমনির ভেতরে ঢুকিয়ে হত্যা করা হয়। চাঁদা দিতে অপরাগতা জানালে ডা. এ কে মুখার্জীকে চরমপন্থীরা তীক্ষ্ম ফলা দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়।
১৯৯৪ সালে ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু থানার কাপাসটিয়া ইউনিয়নের গোলাপনগর গ্রামের আত্তাব বুড়োকে হত্যা করে তার লাশ ৩ টুকরো করে ৩ স্থানে ফেলে রাখে। একই থানার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের বরুণ গোলাপকে একটি বস্তায় ভরে বস্তার মুখ বন্ধ করে চরমপন্থীরা খেজুরের কাঁটা দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে। এভাবে অনেক নৃশংস হত্যাকান্ডের বর্ণণা দেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..