শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
পুসাজের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় পুলিশের উপর হামলাসহ একাধিক ডাকাতি; গ্রেপ্তার ৩ আটঘরিয়ায় কোর্টের রায় অমান্য করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা দুই ছাত্রদল নেতার জন্য নিয়মবহির্ভূতভাবে মাস্টার্স চালু করলো নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভলিবল খেলা নিয়ে মারামারি : দুদিন বন্ধ একাডেমিক কার্যক্রম  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির টেকসই ব্যবহার নিয়ে ঢাবিতে আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম কুয়েটে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে নোবিপ্রবিতে মশাল মিছিল অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে আপনারা সাংবাদিকতাকে উপভোগ করুন : সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব  রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পাবলিক স্পীকিং ও প্রেজেন্টেশন বিষয়ক কর্মশালা আয়োজিত গোপালগঞ্জ জেলা রোভার স্কাউটের ত্রৈবার্ষিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির জাতীয় বিতর্ক উৎসব ২০২৫ উদ্বোধন হাবিব-ফায়েজের নেতৃত্বে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির আত্মপ্রকাশ নোবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মসূচির ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল  স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে এবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সচিবালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি  ক্যাম্পাস চাই দাবিতে ফের উত্তাল রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় : মহাসড়ক অবরোধ  ফিল্ড ট্যুর নিয়ে নোবিপ্রবির ফিমস বিভাগের শিক্ষকদের অন্তর কোন্দল চকরিয়ায় আগুনে ভস্মীভূত হার্ডওয়্যারের দোকান; ক্ষয়ক্ষতি ৪০ লক্ষাধিক টাকা চকরিয়ায় জমি জবরদখলে বাঁধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী সন্তানের উপর হামলা, আহত ২ খুলনায় সাবেক এমপির বাড়ি দখল করে মাদ্রাসা চালু দুমকীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে তরুণী দুমকি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে দুর্ধর্ষ চুরি দিগরপানখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন বশেমুরবিপ্রবি’তে তিন দিনব্যাপী সাইকোমেট্রিক টুলস ও সাইকোলজিক্যাল এসেসমেন্ট ট্রেনিং সম্পন্ন চকরিয়ায় মাষ্টার মাইন্ড অটো ব্রিকস ফ্যাক্টরিতে ২ নির্মাণ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু নোবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ হলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ

আন্তর্জাতিক মানদন্ডের বাইরে পাবিপ্রবির ১৯ বিভাগ

দূর্জয় কর্মকার, পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১১৫৬ ০০০ বার

বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গড় অনুপাতের নূন্যতম মানদন্ড ধরা হয় ১:২০। অর্থ্যাৎ প্রতি ২০ শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে শিক্ষক থাকতে হবে। তবে এবার এ মানদন্ড বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ টি বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রকাশিত ৪৮তম বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাবিপ্রবির মোট ২১ টি বিভাগে পরিচালিত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাতে সবচেয়ে পিছিয়ে লোকপ্রশাসন এবং সমাজকর্ম বিভাগ। বিভাগ দুটিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গড় অনুপাত যথাক্রমে ১:৬৪ এবং ১:৫৪। অর্থ্যাৎ প্রতি ৬৪ এবং ৫৪ জন শিক্ষার্থীর জন্য বিভাগদুটিতে হয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষক। যা বিশ্বব্যাপী প্রচলিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গড় অনুপাতের মানদন্ডের ধারের কাছেও নেই। এরপরের অবস্থান রয়েছে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ।

এছাড়া যেসব বিভাগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে আন্তর্জাতিক মান নেই সেগুলো হলো – কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা, গণিত, ফার্মেসি, রসায়ন, পরিসংখ্যান, ব্যবসায় প্রশাসন, অর্থনীতি, বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগ।

তবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ। উভয় বিভাগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত যাথক্রমে ১:১৪ এবং ১:২০।

ইউজিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৪৮৭ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে রয়েছেন মোট ১৭৭ জন শিক্ষক। অর্থ্যাৎ প্রতি ৩১ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক আছেন একজন করে। এর মধ্যে আবার ৩৫ জন শিক্ষক আছেন শিক্ষাছুটিতে।

এ বিষয়ে ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তরের পরিচালক ড. মোঃ নাজমুল হোসেন বলেন – ” পাবিপ্রবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এই সমস্যা ব্যতীত আরো অনেক সমস্যা রয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন অর্থ্যাৎ আমাদের অভিভাবক উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্য এসব বিষয় নিয়ে সমস্যা সমাধানে খুবই সচেষ্ট। উনাদের নেতৃত্বে বর্তমানে একটি কারিকুলাম তৈরি হচ্ছে যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের অনুপাত কেমন হবে তাদের স্ট্যান্ডার্ড মান অনুযায়ী ক্রেডিট কেমন হবে এই বিষয়ে আলোকপাত চলছে যাতে করে শিক্ষার্থীদের এই সমস্যা গুলোকে সমাধান করা যায়। ”

তবে শিক্ষক সংকটের এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে সাধারন শিক্ষার্থীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের একাধিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানায় শিক্ষক সংকটের জন্য আমরা সেমিস্টার ঠিকসময় মতো শেষ করতে পারছি না। নতুন কারিকুলাম কার্যকর হয়েছে ২০২০-২০২১ সেশনের শিক্ষার্থীদের থেকে। অথচ তাদেরসহ পূর্বের ব্যাচগুলোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস বা কারিকুলাম আসছে না। যার ফলে বিভিন্ন অনিশ্চয়তা কাজ করছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..