বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
পরিবেশ সুরক্ষায় গুণীজন সম্মাননা পেলেন জামসেদুল হক জুয়েল ভর্তিচ্ছুদের পাশে নোবিপ্রবির সহযোগী সংগঠন বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খুলছে ২৫ অক্টোবর নোবিপ্রবিতে ‘বি’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত জাককানইবিতে গুচ্ছ পদ্ধতির বি-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন গোগায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের সংঘর্ষ : আহত- ৫০ ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শার্শার ইউপিতে আ.লীগের নৌকার মাঝি হয়েছেন যারা পটুয়াখালীর দুমকীতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত। ৩১ অক্টোবর খুলছে নোবিপ্রবির আবাসিক হল, ক্যাম্পাসেই টিকা পাবে শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে সাম্প্রদায়িক হামলাকারী সন্ত্রাসী দের বিচারের দাবিতে ছাত্র ইউনিয়নের মশাল মিছিল সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে পীরগঞ্জে মানববন্ধন ও সম্প্রীতি র‌্যালি বশেমুরবিপ্রবিতে শিক্ষকের মৃত্যুতে শিক্ষক সমিতি কর্তৃক স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত অপেক্ষার প্রহর শেষে অবশেষে চালু হচ্ছে স্বপ্নের পায়রা সেতু সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর একক অবস্থান কর্মসূচি সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পানছড়িতে আওয়ামী লীগের ‘সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা’ সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত দুমকীতে শেখ রাসেল এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা মন্দির-বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও হত্যা’র প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ   শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীর দুমকীতে তালের চারা রোপন বড়াইগ্রাম পৌরসভায় জেন্ডার ও জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা বিষয়ক কর্মশালা শার্শা সীমান্ত থেকে পিস্তল-গুলি ও মাদক উদ্ধার করেছে বিজিবি নোবিপ্রবিতে গুচ্ছ পদ্ধতির ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন  সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে নোবিপ্রবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে আজ দাবা লীগের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ 

ঈদ স্মৃতিচারণ

রেজাউল করিম ফেরদৌস
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৭ মে, ২০২০
  • ১১৮ ০০০ বার

  ঈদ স্মৃতিচারণ……

ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ে। তখন ঈদের একটা আলাদা আমেজ ছিল। রোজার মাসে সাধারণতঃ শীত থাকত। শীতের রাতে জবু থবু হয়ে সেহরি খেতে উঠতে হতো। লেপের নিচ থেকে উঠতে ইচ্ছে করতো না। মা আগেই উঠে খাবার সব গরম করে রাখতেন। সারাদিন উপোস থাকতে কী কষ্টটাই না হতো! মনে আছে ছোটো বেলায় পানিতে ডুব দিয়ে একটু পানি খেয়ে নিতাম। ভাবতাম আল্লাহতো আর দেখতে পাবে না! ইফতারির আগে সময় যেন ফুরোতেই চাইতো না। রাতে চলে যেতাম তারাবির নামাজ পরতে মসজিদে। মাসব্যাপী রোজা শেষে যেদিন চাঁদ দেখার কথা সেদিন কী উত্তেজনাই না বিরাজ করত ছোটদের মধ্যে। চাঁদ দেখার জন্য খোলা মাঠে ছুটে যাওয়া বা উঁচু কোনো জায়গায় উঠে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা। চাঁদ দেখা গেলে কী আনন্দ। কাল ঈদ! রেডিও টেলিভিশনে বেজে উঠে ..’রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ..’ সারারাত আনন্দে ঘুমই হয় না। রাতে তারাবাতি জ্বালানো হতো।
রোজার মাস জুড়ে আছে নতুন কাপড় কেনাকাটার ধুম। বাবার হাত ধরে বাজারে যাওয়া ঈদের শার্ট কিনতে। প্রত্যেক বাবা-মা’ই চান তার সন্তানের জন্য নতুন কাপড় কিনে দিতে। কিনে দিতে না পারলে যেমন দরিদ্র পিতার মন খারাপ হয় তেমনি সন্তানেরও আনন্দটা নষ্ট হয়। ঈদে তার সন্তান নতুন কাপড় পড়বে না তা কি হয়! ছোটরা নতুন কাপড় কিনে কেউ কাউকে দেখাত না। ঈদের আগেই দেখে ফেললে মজাটা নষ্ট হয়ে যায় না! তাই লুকিয়ে রাখে। এই নিয়ে ছোটদের মধ্যে মন কষাকষিও হয়। আর যারা নেহায়েৎই নতুন কাপড় কিনতে পারে না তারা পুরনো কাপড়টাকেই ভালমতো ধুয়ে ঈদের রাতে ইস্তিরি করে নেয়। ধোপাবাড়িতেও যেন উৎসব লেগে যায়।
রোজার পুরো মাস মসজিদে মসজিদে তারাবির নামাজ আর ইফতারির ধুম।
শবে কদরে সারারাত ছেলেদের ঘুরে ঘুরে মসজিদে নামাজ পড়া আর রুটি হালুয়া খাওয়া। যার যে রকম সাধ্য আছে সে সেই রকমভাবে ঈদ করে। আজকাল কত বদলে গেছে সব কিছু। কেউ হয়ত কোন রকম ইফতারিটা সেড়ে ফেলে আর কেউ কেউ শেরাটন সোনারগাঁয়ে তিন চার হাজার টাকা দিয়ে ইফ্তার করে। ঢাকা শহরে ইফতারির বাজার বসে যায় সর্বত্র। ইফতার কালচার বলে একটা কথা চালু হয়ে গেছে দেশে। রাজনৈতিক ইফতার বেশ জমজমাট। জাকাতের কাপড় বিলি করতে গিয়ে কত লোক মারা যায় দেশে। ঈদের সময় দূর-দূরান্ত থেকে ভিক্ষুকরা এসে ভীড় করে ঢাকায় দুটো পয়সার জন্য।
ঈদের দিন খুব ভোড়ে ঘুম থেকে উঠেই ঘরে ঘরে গিয়ে সেমাই ফিরনি খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। তারপর গোসল টোসল সেড়ে কড়কড়া ভাজভাঙ্গা জামাকাপড় পড়ে মা বাবাকে সালাম করে ঈদগাহ মাঠে যাওয়া হয় দল বেঁধে। ঈদের নামাজ শেষে কোলাকুলি করা। ছোট ভাই বোনের জন্য খুরমা, বেলুন, বাঁশি কিনে আনা। নামাজ পড়ে ঘরে ফিরতে ফিরতে মায়ের পোলাউ মাংস রান্না শেষ। তারপর খাওয়া দাওয়ার ধুম। বিকেল হলে সেজে গুজে আত্মীয় বাড়িতে যাওয়া। সত্যি আমাদের দেশের ঈদ উৎসবের কোনো তুলনা হয় না। সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছু বদলে যায়। আজকের দিনে হয়ত আর সেই পুরনো আমেজটা নেই। কিন্তু তারপরও দেশের ঈদ বলে কথা!

 

লেখকঃ রেজাউল করিম ফেরদৌস, 

 নির্বাহী সম্পাদক,দৈনিক উন্নয়নের কথা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..