শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৫০ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
লালপুর ডিগ্রি কলেজের প্রধান ফটক ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন   বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে সভাপতিসহ ৫ পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দীতায় জয়ী  পেকুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস যেন ঘুষের আখড়া! নোবিপ্রবিতে মেশিন ইন্টেলিজেন্স’র উপর আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেপ্টেম্বরে পাবিপ্রবি’কে অ্যাম্বুলেন্স উপহার দিলো ভারত সরকার! চকরিয়ায় সৌদিয়া বাসের সাথে ট্রাকের সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত-১০ বিয়ের অনুষ্ঠানে নারীর সাজ মোবাইল গেমস বানালো বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থী বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন ১৯ জানুয়ারি ভেড়ামারায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বিজয়ের পূর্ণতা ভেড়ামারায় সিসিটিভি ক্যামেরা চুরির ১ মাসেও চোর সনাক্ত হয়নি! ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পবিপ্রবি রোভার স্কাউটের সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ রক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন  শার্শায় অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন যুবলীগ নেতা নাজমুল পানছড়ির ৫ ইউপিতে নৌকার মনোনয়ন পেলেন যারা ৬ গুণে নারী অনন্য মাইন বিস্ফোরণ দিবসে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি চকরিয়ায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৩১ নারীকে সেলাই মেশিন বিতরণ জাবি রসায়ন সংসদের ভিপি গৌতম, জিএস নাজমুল নির্বাচিত পাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে বশেমুরবিপ্রবি ছাত্রলীগের পুষ্পস্তবক অর্পণ  বনপাড়া পৌরসভায় ৬৫৮ জন দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ রাতের অন্ধকারে ভোট কিনতে গিয়ে জনগণের হাতে ধরা, অতঃপর পুলিশে সোপর্দ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশীপ তালিকায় পাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষার্থী!

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বিজয়ের পূর্ণতা

বাংলাদেশ সারাবেলা বিশেষ রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১০ ০০০ বার

দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর বিজয় অর্জিত হলেও এই বিজয়ের পূর্নতা পায় ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, যখন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতার বীজ বপনকারী, স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে আসেন।

পাকিস্তানের কারাগার থেকে দীর্ঘ সাড়ে নয় মাস পর মুক্তি পেয়ে ৯ জানুয়ারি ১৯৭২, বঙ্গবন্ধু যখন লন্ডনের হিথ্রু বিমানবন্দরে পৌঁছান, তারপরই বাঙ্গালী জাতি জানতে পারে, তাদের প্রানের নেতা পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই বাংলার আকাশ বাতাসে এই সুসংবাদের কথা ছড়িয়ে পড়ে।লন্ডন থেকে ঢাকা আসার পথে, ভারতে যাত্রা বিরতি ছিল নয়াদিল্লিতে। বিমানবন্দরে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান।

ভারতের মাটিতে লাখো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান। বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী জাতির পক্ষে মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সরকার ও জনগণের ভুমিকার কথা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেন ও ধন্যবাদ জানান।

বাংলার মুক্তিকামী মানুষের মাঝে এই দিনটি ছিল আবেগ আপ্লূত আনন্দে ভরপুর, শত দুশ্চিন্তার অবসান ঘটিয়ে প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার অপেক্ষায় লাখো জনতা সেদিন জড়ো হয়েছিল বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দানে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়েছে সারা ঢাকা। যখন শত অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নতুন সূর্যলোকের মতো বাংলার মাটিতে পা দেন স্বাধীনতার মহানায়ক, তখন আনন্দে অশ্রুসজল হয়েছিলো মুক্তিকামী বাংলার মানুষ।
সদ্য স্বাধীন স্বদেশের মাটিতে পা রেখে কিংবদন্তী এ মহানায়ক শিশুর মত আবেগে আপ্লুত হলেন, আনন্দ ও বেদনার অশ্রুধারা নামল তার দুচোখে।

লক্ষ জনতার বিশাল সমাবেশে ভাষন দিতে গিয়ে সেদিন বঙ্গবন্ধু বারেবারে আবেগ আপ্লূত হয়ে পড়ছিলেন। লাখো শহীদের আত্মদানের কথা শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরন করে বঙ্গবন্ধু সেদিন বক্তব্য শুরু করেন। বঙ্গবন্ধু সেদিন বলেন আমার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে, আমার জীবনের স্বাদ আজ পূর্ণ হয়েছে, আমার বাংলার মানুষ আজ মুক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু এক কোটি বাঙ্গালী ভারতে আশ্রয় দেওয়া, খাবার দেওয়া, মিত্রবাহিনীর সাহায্যের কথা উল্লেখ করে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী ও ভারতীয় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

মুক্তিযুদ্ধের শহীদের কথা স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমার বহু ভাই, বহু কর্মী, বহু মা-বোন আজ দুনিয়ায় নাই, আমি তাদের দেখবো না। আমি আজ বাংলার মানুষকে দেখলাম, বাংলার মাটিকে দেখলাম, বাংলার আকাশকে দেখলাম, বাংলার আবহাওয়াকে অনুভব করলাম। বাংলাকে আমি সালাম জানাই। আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় বড় ভালবাসি, বোধহয় তারজন্যই আমায় ডেকে নিয়ে এসেছে।

বঙ্গবন্ধু এই দেশকে শান্তিপূর্ণ সোনার বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার করেছিলেন । তাই দেশের মাটিতে পা রেখেই প্রথম বক্তব্যে কিছু দিকনির্দেশনা মূলক কথা বলেছিলেন। আজ থেকে আমার অনুরোধ একজন নেতা হিসাবে নয়, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে নয়, আমি তোমাদের ভাই তোমরা আমার ভাই।

উনি বলেছিলেন এ স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে, যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়, এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না, যদি আমার মা-বোনেরা কাপড় না পায়। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবেনা, যদি এ দেশের যুবক যারা আছে তারা চাকরি না পায়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের উন্নয়নে আশু পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য উনি জনসাধারণের প্রতি আহবান জানান। রাস্তা ঘাট যেগুলো ভেঙে গিয়েছে সেগুলো তোমাদের নিজেদের ঠিক করতে, জমিতে ফসল তোমাদের নিজেদের ফলাতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে উনি সকলকে ঘুষ না খেতে অনুরোধ করেন।

বঙ্গবন্ধুর এই দেখানো পথে হাটছেন তার যোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। বর্তমান সারা বিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নে মুগ্ধ। শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে , সারা বিশ্ব অবাক বিশ্বয়ে দেখবে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখক:
মোঃ শফিকুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, ভেটেরিনারি মেডিসিন বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..