মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: বদরুজ্জামান ভূঁইয়া  রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ধ্রুপদী সংগীতের পুনর্জাগরণ চিরিংগা হাইওয়ে থানার ইনচার্জের বেপরোয়া টোকেন বাণিজ্য; মাসিক চাঁদা আদায় লক্ষ টাকা বিএডিসি’র সেচ কার্যক্রম পরিদর্শন করলো আইইবি আটঘরিয়ায় আন্তঃ বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক ধ্রুপদী সংগীত কনফারেন্স আয়োজন আটঘরিয়ায় চতুর্থ কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন প্রথমবারের মতো সংসদে বক্তব্য রাখলেন সোলায়মান সেলিম বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন থাকলেও নেই শিক্ষার্থীদের হাজিরা ভেটেরিনারি অনুষদে সেশনজট মোকাবিলাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ- নবনিযুক্ত ডিন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রথম কমিটির নেতৃত্বে ডলফিন-তুহিন  শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ হকৃবি’তে যথাযথ মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত যবিপ্রবিতে নওগাঁ জেলা অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক মিলনমেলা কয়রাবাড়ি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ববিতে যথাযথ মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি রচনা করেছিল– রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য   চকরিয়ায় শতকোটি টাকা মূল্যের বনভূমি দখল করে আ.লীগ নেতার স্থাপনা নির্মাণ; নিরব সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ নড়াইলের মেধাবী শিক্ষার্থী রাকিবুলের পাশে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগ কয়রাবাড়ি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় উত্তাল যবিপ্রবি, উপাচার্য কে ঘেরাও  যবিপ্রবির কিশোরগঞ্জ জেলা আসোসিয়েশন এর নেতৃত্বে রাহাত ও আবিদ যবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে নির্যাতন, অভিযোগের তীর ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সহায়তা তহবিল গঠন করে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন এবং রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম

মামুন শিকদার মাহিন, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৩৫ ০০০ বার

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দলটির যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার পেটে ব্যথা শুরু হলে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীকে অধ্যাপক এম এস আরাফাতের তত্ত্বাবধানে বিএসএমএমইউয়ের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। সেখানে আলট্রাসনোগ্রাম করার পর তার গল-ব্লাডারে পাথর ধরা পড়ে।

বর্তমানে তিনি জেনারেল সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক এ এইচ এম তৌহিদুল আলমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। আশু সুস্থতার জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন বলে ইকবাল সিদ্দিকী জানান।

 

পাঠকদের জন্য বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বাঘা সিদ্দিকী) বীরউত্তমের জীবন-বৃত্তান্ত তুলে ধরা হলো।

 

এক নজরে কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তমঃ

(জন্ম: ১৯৪৭) ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাঘা কাদের নামে পরিচিত ছিলেন।তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক যিনি ভারতীয় বাহিনীর সাহায্য ব্যতিরেকেই ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে ঢাকা আক্রমণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। তাঁর পূর্ণ নাম আব্দুল কাদের সিদ্দিকী । তাঁকে বঙ্গবীর নামেও ডাকা হয়। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বাহিনী কাদেরিয়া বাহিনী তাঁর নেতৃত্বে গঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তাঁকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।

 

রাজনৈতিক দলঃ

মুক্তিযুদ্ধ পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকলেও ১৯৯৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেন এবং কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ নামক রাজনৈতিক দল গঠন করেন। তিনি এই দলের সভাপতি।

জন্ম ও শিক্ষাঃ

আবদুল কাদের সিদ্দিকীর পৈতৃক বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার ছাতিহাটি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম আবদুল আলী সিদ্দিকী, মায়ের নাম লতিফা সিদ্দিকী এবং স্ত্রীর নাম নাসরীন সিদ্দিকী। তাঁদের এক ছেলে এক মেয়ে। ১৯৭১ সালে শিক্ষার্থী ছিলেন। সামরিক প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন। স্কুলে পড়াকালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে সেনাবাহিনীতে কিছুদিন চাকরি করে ১৯৬৭ সালে চাকরি ছেড়ে দিয়ে আবার শিক্ষাজীবনে ফিরে যান। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ঝাঁপিয়ে পড়েন যুদ্ধে।

 

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকাঃ

আবদুল কাদের সিদ্দিকী ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে টাঙ্গাইলে গঠিত বিশেষ সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হন। এ বাহিনীর নেতৃত্বে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ছাড়াও ছিলেন আনোয়ার-উল-আলম শহীদ, এনায়েত করিমসহ অনেকে। প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইলে তাঁরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ করেন। টাঙ্গাইলের প্রতিরোধযোদ্ধারা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে পুরো বাহিনী টাঙ্গাইলের প্রত্যন্ত এলাকা সখীপুরে চলে যান। সেখানে শুরু হয় এ বাহিনীর পুনর্গঠন-প্রক্রিয়া এবং রিক্রুট ও প্রশিক্ষণ। পরবর্তীকালে এ বাহিনীরই নাম হয় ‘কাদেরিয়া বাহিনী’। মুক্তিযুদ্ধকালে আবদুল কাদের সিদ্দিকী দক্ষতার এবং সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা টাঙ্গাইলে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি অসংখ্য যুদ্ধ ও অ্যাম্বুশ করেন। এর মধ্যে ধলাপাড়ার অ্যাম্বুশ অন্যতম। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার অন্তর্গত ধলাপাড়ায়

১৬ আগস্ট আবদুল কাদের সিদ্দিকী ধলাপাড়ার কাছাকাছি একটি স্থানে ছিলেন। তিনি খবর পান, তাঁদের তিনটি উপদল পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঘেরাও করেছে। তাঁদের সাহায্য করার জন্য তিনি সেখানে রওনা হন। আবদুল কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন ১০ জন। এই ১০জন সহযোদ্ধা নিয়ে পাকিস্তানিরা যে পথ দিয়ে পিছু হটছিল, সে পথে অবস্থান নেন তিনি। পাকিস্তানি সেনারা সংখ্যায় ছিল অনেক বেশি। তবে বিচলিত না হয়ে নিজের দুর্ধর্ষ প্রকৃতির সহযোদ্ধাদের নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। একটা ২০ মিনিটে পাকিস্তানি সেনারা তাঁদের অ্যাম্বুশে প্রবেশ করে এবং চল্লিশ গজের মধ্যে আসামাত্র কাদের সিদ্দিকী এলএমজি দিয়ে প্রথম গুলি শুরু করেন। একই সময় তাঁর সহযোদ্ধাদের অস্ত্রও গর্জে ওঠে। নিমেষে সামনের কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বাকি সেনারা প্রতিরোধে না গিয়ে পালিয়ে যেতে থাকে। এ দৃশ্য দেখে কাদের সিদ্দিকী উত্তেজিত হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে এলএমজি দিয়ে পলায়নরত পাকিস্তানি সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি করতে থাকেন। তাঁর সহযোদ্ধারাও উঠে দাঁড়িয়ে গুলি শুরু করেন। এ সময় হঠাৎ পাকিস্তানি সেনাদের ছোড়া গুলি ছুটে আসে আবদুল কাদের সিদ্দিকীর দিকে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন তিনি। তার পরও তিনি দমে যাননি। আহত অবস্থায় যুদ্ধ চালিয়ে যান। যুদ্ধ শেষে সহযোদ্ধারা তাঁকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেদিন তাঁদের হাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রায় ৪০ জন হতাহত হয়।

 

১৯৭৭ থেকে ১৯৯০ ভারতে স্বেচ্ছানির্বাসনঃ

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সপরিবার নিহত হলে এর প্রতিবাদে কাদের সিদ্দিকী ভারত গমন করেন। ১৯৯০ সালে দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

 

লেখক কাদের সিদ্দিকীঃ

সংবাদ পত্রের কলাম লিখে তিনি বেশ আলোচিত সমালোচিত হয়েছেন। দৈনিক আমার দেশ , দৈনিক নয়া দিগন্তে তিনি নিয়মিত কলাম লিখে থাকেন। এছাড়া

দিগন্ত টেলিভিশনে তিনি সবার উপরে দেশ নামক অনুষ্ঠানে উপস্থাপক হিসেবে দেশের চলমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও সমসাময়িক বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা করে থাকেন।

১. মওলানা ভাসানীকে যেমন দেখেছি

২. মেঘে ঢাকা তাঁরা

৩. স্বাধীনতা’৭১

৪. বজ্রকথন

৫. তারা আমার বড় ভাই-বোন

৬. না বলা কথা

৭. পিতা-পুত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..