বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
শাকসু স্থগিতের প্রতিবাদ ও নোবিপ্রবিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক ও ইরাসমাস চুক্তি হাদীর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে নোবিপ্রবিতে তীব্র বিক্ষোভ  নোবিপ্রবিতে বিএনপি নেতা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ  নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর র‍্যাংকিং এ দেশসেরা ৭ম স্থানে নোবিপ্রবি নোবিপ্রবিতে পরিচালিত হলো ইয়ুথ কল ফর সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ক্যাম্পেইন ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ড. জাকির নায়েককে আসার অনুমতি না দেয়ায় নোবিপ্রবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ এআই ও অটোমেশনভিত্তিক নতুন কোর্স চালুর প্রচেষ্টা চলছে’- নোবিপ্রবি উপাচার্য  নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে রাকিন- সাজিদ গোবিপ্রবির ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্টে নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের অভূতপূর্ব সাফল্য সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা, অবহেলার শিকার নোবিপ্রবির ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল নোবিপ্রবির সঙ্গে ইস্তাম্বুল কালচার ইউনিভার্সিটির চুক্তি স্বাক্ষর নোবিপ্রবিতে সপ্তম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনের উদ্বোধন ৬০০ নবীন শিক্ষার্থীকে কুরআন শরীফ উপহার দিল নোবিপ্রবি ছাত্রশিবির নজরুলের ৪৯তম প্রয়াণ দিবসে নোবিপ্রবি ‘শব্দকুটির’-এর আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ২৫ গোবিপ্রবিতে সীমানা প্রাচীর, গেইট ও নতুন হল নির্মাণের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি জেলে সম্প্রদায়: জলাশয়ের সনে মিত্রতা নদী ভাঙ্গন: অস্তিত্বে দিশাহীন প্রান্তিক মানুষ নিখোঁজ মেয়ের খোঁজে পথে পথে বাবা সবুজ গ্রামবাংলা: নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও জীবন্ত চিত্র মানবিক চেতনাবোধ: জীবের প্রতি প্রেম যবিপ্রবির সহকারী অধ্যাপক ড. ফিরোজ কবির সাময়িক বরখাস্ত, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ প্রথম আলোতে ভুল সংবাদ প্রকাশে রবিসাসের তীব্র নিন্দা

ইচ্ছাকৃত ভাবে নম্বর কম দেয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষক আবারও একই ব্যাচের সাথে ক্লাস 

কুবি প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ৫৭১ ০০০ বার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের একটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত ভাবে নম্বর কম দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত সেই শিক্ষককে আবারও একই ব্যাচে স্নাতকোত্তরে ক্লাস দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে উক্ত ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

 

 

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের (২০১৬-১৭ শিক্ষার্বষের) শিক্ষার্থীদের

‘এআরসি ৫১৩- কলোনিয়াল অ্যার্কিটেক অফ বাংলাদেশ’ নামের একটি কোর্স রয়েছে। আর এই কোর্সটি পড়াতে দেয়া হয়েছে একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক

মোর্শেদ রায়হানকে। তবে মোর্শেদ রায়হান একই ব্যাচে স্নাতক শেষ বর্ষের একটি কোর্স নিয়েছিলেন। সেই কোর্সে ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের নম্বর কম দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, এর আগেও আমাদের পরীক্ষার খাতায় তিনি নম্বর কম দিয়েছেন। এবার আবার উনাকে ক্লাস দেয়া হয়েছে। আমরা অনিরাপত্তায় আছি। এবারও তিনি আগের মত কিছু করবেন না এর নিশ্চয়তা নেই। মাস্টার্সে যদি আবার এমন হয়, তাহলে পরবর্তীতে এর প্রভাব তো আমাদের ক্যারিয়ারে আরো বড় আকারে পড়বে।

 

এ বিষয়ে মোর্শেদ রায়হান বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারবো না। আপনারা বিভাগীয় প্রধানের সাথে কথা বলেন।

 

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, আমাদের কোর্সগুলো আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। সেই হিসেবে কোর্সটি দেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো নির্দেশনা নেই যে তিনি (অভিযুক্ত শিক্ষক) কোর্স নিতে পারবেন না।

 

নিরাপত্তাহীনতায় আছেন শিক্ষার্থীরা এ জন্য বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কী পদক্ষেপ নিবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, শিক্ষক শিক্ষার্থীর সম্পর্কের মধ্যে এই বিষয়টি ঘটাটা খুবই বিব্রতকর। আমার মনে হয় না বর্তমানের যে পরিস্থিতি তাতে কোনো শিক্ষক আর এই ধরনের কোন কাজ সম্পর্কে ভাববে। শিক্ষকরা অনেক বেশি সচেতন থাকবে। শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হলে যদি আমাকে জানায় আমি শিক্ষকের সাথে আলোচনা করবো।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, এ বিষয়টি আমি অবগত না। আগামীকাল গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখবো।

 

‘ট্যুরিজম এন্ড হেরিটেজ ম্যানেজমেন্ট’ নামক কোর্সে ইচ্ছাকৃতভাবে নম্বর কম দেয়ার অভিযোগের প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর উক্ত কোর্সের খাতগুলো জব্দ করে এই কোর্সে বিশেষজ্ঞ কাউকে দিয়ে খাতগুলো পুনরায় মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছিল।

 

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, শিক্ষক সমিতির কনফারেন্স থাকায় কাজ করা হয়নি। তবে, আমরা আগের খাতাগুলো জব্দ করেছি। ওই কোর্সে বিশেষজ্ঞ কাউকে দিয়ে খাতাগুলো আবারও দেখানো হবে। যদি দেখা যায় নম্বর ২০% এর মধ্যে রয়ে গেছে তাহলে তো সমস্যা থাকে না। কিন্তু যদি এর বাইরে চলে যায় তাহলে আমরা তদন্ত করে দেখব। শিক্ষার্থীদের যেন ক্ষতি না হয় আমরা সেটাই চাইবো।

 

উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর প্রত্নতত্ব বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ৮ম সেমিস্টারের ‘ট্যুরিজম এন্ড হেরিটেজ ম্যানেজমেন্ট’ নামক একটি কোর্সের বিফোর ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্ট শিট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এই কোর্সটি পড়িয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোর্শেদ রায়হান। দুই পাতার রেজাল্ট শিটে দেখা যায় যায়, ৪০ নম্বরের বিফোর ফাইনাল পরীক্ষার মধ্যে দুটি মিড-টার্ম পরীক্ষা থাকে ১০ নম্বরের। এর মধ্যে দ্বিতীয় মিড-টার্ম পরীক্ষায় দশ নম্বরে এক নম্বরের নিচে পেয়েছেন তিন জন। যাদের ২ জন পেয়েছেন ০.৬৭ ও একজন ০.৩৩। এছাড়াও দুই নম্বরের নিচে ১৩ জন, তিন নম্বরের নিচে ১৭ জন এবং চারের নিচে পেয়েছেন ৪ জন শিক্ষার্থী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..