মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবিপ্রবির ভবিষ্যত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস। নোবিপ্রবিতে শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষে The STEMEd Club এর আয়োজন পেকুয়ায় ছিনতাই মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যান ময়লা-আবর্জনার ছড়াছড়িতে পাবিপ্রবি প্রাঙ্গণ! দুর্গম সড়ক দিয়ে আসছে থাইল্যান্ডের গরু বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাথে আলোচনায় অধ্যাপক গোলাম শাহী আলম বেনাপোলে আমদানিকৃত পণ্যে মিললো ফেনসিডিল এবং যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট চকরিয়ার জমজম হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলছে রমরমা বাণিজ্য বশেমুরবিপ্রবিতে সাংবাদিক কর্তৃক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তৈরির চেষ্টা দুমকিতে অনুমোদনহীন ডায়াগনাস্টিক সেন্টারে রমরমা বাণিজ্য আড়াইহাজারের সংসদ সদস্যের সাথে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষকের সৌজন্য সাক্ষাৎ শোকের মাসের শুরুতে বশেমুরবিপ্রবি’তে কালো ব্যাচ ধারণ কর্মসূচী চকরিয়ায় খুটাখালীর সংরক্ষিত বন থেকে যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার পাবিপ্রবি তে শোকাবহ আগষ্টে বঙ্গবন্ধু মূর‍্যালে পাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন চকরিয়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের কার্যালয় উদ্বোধন ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন দুমকিতে ‘স্যার’ না বলে ভাই সম্মোধন করায় ডাক্তারের হাতে রোগী লাঞ্ছিত শার্শার বাবলু মেম্বার হত্যা মামলার আসামি অস্ত্রসহ আটক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্রাহ্মী শাকের গুনাগুন গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় পাবিপ্রবি ছাত্রলীগের জয় বাংলা বাইক সার্ভিস সেবাসহ ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ  ঝিকরগাছায় পল্লীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু চকরিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্বধলা স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন পেকুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে মাদরাসা ছাত্রীর আত্মহত্যা পাবিপ্রবিতে রসায়ন বিভাগের ফেয়ারওয়েল ও কেমিস্ট্রি নাইট অনুষ্ঠিত।

ঈদ স্মৃতিচারণ

রেজাউল করিম ফেরদৌস
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৭ মে, ২০২০
  • ২৫৩ ০০০ বার

  ঈদ স্মৃতিচারণ……

ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ে। তখন ঈদের একটা আলাদা আমেজ ছিল। রোজার মাসে সাধারণতঃ শীত থাকত। শীতের রাতে জবু থবু হয়ে সেহরি খেতে উঠতে হতো। লেপের নিচ থেকে উঠতে ইচ্ছে করতো না। মা আগেই উঠে খাবার সব গরম করে রাখতেন। সারাদিন উপোস থাকতে কী কষ্টটাই না হতো! মনে আছে ছোটো বেলায় পানিতে ডুব দিয়ে একটু পানি খেয়ে নিতাম। ভাবতাম আল্লাহতো আর দেখতে পাবে না! ইফতারির আগে সময় যেন ফুরোতেই চাইতো না। রাতে চলে যেতাম তারাবির নামাজ পরতে মসজিদে। মাসব্যাপী রোজা শেষে যেদিন চাঁদ দেখার কথা সেদিন কী উত্তেজনাই না বিরাজ করত ছোটদের মধ্যে। চাঁদ দেখার জন্য খোলা মাঠে ছুটে যাওয়া বা উঁচু কোনো জায়গায় উঠে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা। চাঁদ দেখা গেলে কী আনন্দ। কাল ঈদ! রেডিও টেলিভিশনে বেজে উঠে ..’রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ..’ সারারাত আনন্দে ঘুমই হয় না। রাতে তারাবাতি জ্বালানো হতো।
রোজার মাস জুড়ে আছে নতুন কাপড় কেনাকাটার ধুম। বাবার হাত ধরে বাজারে যাওয়া ঈদের শার্ট কিনতে। প্রত্যেক বাবা-মা’ই চান তার সন্তানের জন্য নতুন কাপড় কিনে দিতে। কিনে দিতে না পারলে যেমন দরিদ্র পিতার মন খারাপ হয় তেমনি সন্তানেরও আনন্দটা নষ্ট হয়। ঈদে তার সন্তান নতুন কাপড় পড়বে না তা কি হয়! ছোটরা নতুন কাপড় কিনে কেউ কাউকে দেখাত না। ঈদের আগেই দেখে ফেললে মজাটা নষ্ট হয়ে যায় না! তাই লুকিয়ে রাখে। এই নিয়ে ছোটদের মধ্যে মন কষাকষিও হয়। আর যারা নেহায়েৎই নতুন কাপড় কিনতে পারে না তারা পুরনো কাপড়টাকেই ভালমতো ধুয়ে ঈদের রাতে ইস্তিরি করে নেয়। ধোপাবাড়িতেও যেন উৎসব লেগে যায়।
রোজার পুরো মাস মসজিদে মসজিদে তারাবির নামাজ আর ইফতারির ধুম।
শবে কদরে সারারাত ছেলেদের ঘুরে ঘুরে মসজিদে নামাজ পড়া আর রুটি হালুয়া খাওয়া। যার যে রকম সাধ্য আছে সে সেই রকমভাবে ঈদ করে। আজকাল কত বদলে গেছে সব কিছু। কেউ হয়ত কোন রকম ইফতারিটা সেড়ে ফেলে আর কেউ কেউ শেরাটন সোনারগাঁয়ে তিন চার হাজার টাকা দিয়ে ইফ্তার করে। ঢাকা শহরে ইফতারির বাজার বসে যায় সর্বত্র। ইফতার কালচার বলে একটা কথা চালু হয়ে গেছে দেশে। রাজনৈতিক ইফতার বেশ জমজমাট। জাকাতের কাপড় বিলি করতে গিয়ে কত লোক মারা যায় দেশে। ঈদের সময় দূর-দূরান্ত থেকে ভিক্ষুকরা এসে ভীড় করে ঢাকায় দুটো পয়সার জন্য।
ঈদের দিন খুব ভোড়ে ঘুম থেকে উঠেই ঘরে ঘরে গিয়ে সেমাই ফিরনি খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। তারপর গোসল টোসল সেড়ে কড়কড়া ভাজভাঙ্গা জামাকাপড় পড়ে মা বাবাকে সালাম করে ঈদগাহ মাঠে যাওয়া হয় দল বেঁধে। ঈদের নামাজ শেষে কোলাকুলি করা। ছোট ভাই বোনের জন্য খুরমা, বেলুন, বাঁশি কিনে আনা। নামাজ পড়ে ঘরে ফিরতে ফিরতে মায়ের পোলাউ মাংস রান্না শেষ। তারপর খাওয়া দাওয়ার ধুম। বিকেল হলে সেজে গুজে আত্মীয় বাড়িতে যাওয়া। সত্যি আমাদের দেশের ঈদ উৎসবের কোনো তুলনা হয় না। সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছু বদলে যায়। আজকের দিনে হয়ত আর সেই পুরনো আমেজটা নেই। কিন্তু তারপরও দেশের ঈদ বলে কথা!

 

লেখকঃ রেজাউল করিম ফেরদৌস, 

 নির্বাহী সম্পাদক,দৈনিক উন্নয়নের কথা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..