বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
শাকসু স্থগিতের প্রতিবাদ ও নোবিপ্রবিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক ও ইরাসমাস চুক্তি হাদীর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে নোবিপ্রবিতে তীব্র বিক্ষোভ  নোবিপ্রবিতে বিএনপি নেতা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ  নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর র‍্যাংকিং এ দেশসেরা ৭ম স্থানে নোবিপ্রবি নোবিপ্রবিতে পরিচালিত হলো ইয়ুথ কল ফর সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ক্যাম্পেইন ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ড. জাকির নায়েককে আসার অনুমতি না দেয়ায় নোবিপ্রবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ এআই ও অটোমেশনভিত্তিক নতুন কোর্স চালুর প্রচেষ্টা চলছে’- নোবিপ্রবি উপাচার্য  নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে রাকিন- সাজিদ গোবিপ্রবির ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্টে নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের অভূতপূর্ব সাফল্য সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা, অবহেলার শিকার নোবিপ্রবির ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল নোবিপ্রবির সঙ্গে ইস্তাম্বুল কালচার ইউনিভার্সিটির চুক্তি স্বাক্ষর নোবিপ্রবিতে সপ্তম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনের উদ্বোধন ৬০০ নবীন শিক্ষার্থীকে কুরআন শরীফ উপহার দিল নোবিপ্রবি ছাত্রশিবির নজরুলের ৪৯তম প্রয়াণ দিবসে নোবিপ্রবি ‘শব্দকুটির’-এর আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ২৫ গোবিপ্রবিতে সীমানা প্রাচীর, গেইট ও নতুন হল নির্মাণের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি জেলে সম্প্রদায়: জলাশয়ের সনে মিত্রতা নদী ভাঙ্গন: অস্তিত্বে দিশাহীন প্রান্তিক মানুষ নিখোঁজ মেয়ের খোঁজে পথে পথে বাবা সবুজ গ্রামবাংলা: নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও জীবন্ত চিত্র মানবিক চেতনাবোধ: জীবের প্রতি প্রেম যবিপ্রবির সহকারী অধ্যাপক ড. ফিরোজ কবির সাময়িক বরখাস্ত, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ প্রথম আলোতে ভুল সংবাদ প্রকাশে রবিসাসের তীব্র নিন্দা

চকরিয়ায় শতকোটি টাকা মূল্যের বনভূমি দখল করে আ.লীগ নেতার স্থাপনা নির্মাণ; নিরব সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ

মোঃ কামাল উদ্দিন, কক্সবাজার প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩২৯ ০০০ বার

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন হারবাং বিট এলাকায় প্রতিদিন নিত্যনতুন পদ্ধতিতে বনের জমি জবর দখল হচ্ছে। কোথাও কোথাও বনভূমি কেটে সমতল করে পাকা দালান থেকে শুরু করে বহুতল শপিংমল, পোলট্রি ফার্মসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করে বনভূমির প্রায় সিংহ ভাগ জায়গা এখন দখলবাজদের দখলে । সংরক্ষিত বনভূমির এসব জায়গা দখলে নিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের চুনতি রেঞ্জ ও হারবাং বিটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটা অংকের উৎকোচ দিতে হয় বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। আর এ উৎকোচ গ্রহণ করার ফলশ্রুতিতে দিন রাত প্রকাশ্যে পরিবেশ ও বনজ সম্পদ বিধ্বংসী এ অপকর্ম চলতে থাকলেও নির্বিকার রয়েছেন সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আর বনকর্তাদের এসব অনিয়মের বিষয়ে সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করলে, চোখ ধাঁধানো নিয়মে বনভূমি দখলবাজদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েই শেষ করেন তাদের কর্মযজ্ঞ।

সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, হারবাং বাস স্টেশন এলাকায় হারবাং ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মিরানুল ইসলাম এর নেতৃত্বে বনভূমির অন্তত শতকোটি টাকা মূল্যের জায়গা দখল করে নির্মাণ করেছেন বহুতল ভবনসহ ৩টি স্থাপনা। যার মধ্যে রয়েছে ১টি বহুতল শপিংমল ২টি ফ্লাট বাসা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বনভূমি দখল করে এসব স্থাপনা নির্মাণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরেজমিন এসে বাঁধা প্রদান করলেও পরবর্তীতে রহস্যজনক কারণে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেন কর্তা ব্যক্তিরা। পরে কতিপয় এ আওয়ামীলীগ নেতা বরাবর কয়েকটি নোটিশ দিয়েই তাদের কর্মযজ্ঞ শেষ করেন। তবে, বনবিভাগের রেঞ্জ ও বিট কর্মকর্তার এসব নোটিশ প্রেরণকে এক প্রকার নাটকীয়তা বলে মনে করেন সচেতনমহল। তা না হলে এসব নোটিশ প্রেরণের পরও কীভাবে কতিপয় এ ব্যক্তি বনভূমিতে বহুতল ভবনসহ ৩টি স্থাপনা নির্মাণ করেছেন প্রশ্ন তাদের? অন্যদিকে, এ আওয়ামীলীগ নেতার সহোদর ভাই জাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বেও বনভূমি দখল করে সমানে চালানো হয়েছে পরিবেশ ধ্বংসযজ্ঞের মতো কর্মকান্ড। জাহেদুল ইসলাম নামের এ ব্যক্তিটিও বনের জমি দখল করে তৈরি করেছেন বহুতল শপিংমল। এমনকি জাহেদুল ইসলামের শপিংমল নির্মাণের কর্মকান্ড এখনো রয়েছে চলমান।

বনভূমি দখলপূর্বক বনের জমিতে কীভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন সে বিষয়ে হারবাং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা মিরানুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ত আপনার জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মান করি নাই। জায়গা বনবিভাগের ব্যবস্থা নিলে তারা নিবে আপনার সমস্যা কি।আপনি যা পারেন লিখেন বলে লাইন কেটে দেন।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, হারবাংয়ে বনবিভাগের জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণের বিষয়টি আমার অজানা। আমি দ্রুত সরেজমিন ঐ জায়গাটি পরিদর্শন করবো। এরপরই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগীয় বনকর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বনবিভাগের জমিতে কোন ধরনের ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই। আপনি যে তথ্যটি দিয়েছেন তা যদি সঠিক হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আমরা তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো এবং তার নামে আমরা মামলা দিবো। এসময় তিনি প্রতিবেদককে এ তথ্যটি তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে দিতে অনুরোধ জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..