রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
নোবিপ্রবিতে বিএনপি নেতা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ  নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর র‍্যাংকিং এ দেশসেরা ৭ম স্থানে নোবিপ্রবি নোবিপ্রবিতে পরিচালিত হলো ইয়ুথ কল ফর সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ক্যাম্পেইন ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ড. জাকির নায়েককে আসার অনুমতি না দেয়ায় নোবিপ্রবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ এআই ও অটোমেশনভিত্তিক নতুন কোর্স চালুর প্রচেষ্টা চলছে’- নোবিপ্রবি উপাচার্য  নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে রাকিন- সাজিদ গোবিপ্রবির ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্টে নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের অভূতপূর্ব সাফল্য সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা, অবহেলার শিকার নোবিপ্রবির ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল নোবিপ্রবির সঙ্গে ইস্তাম্বুল কালচার ইউনিভার্সিটির চুক্তি স্বাক্ষর নোবিপ্রবিতে সপ্তম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনের উদ্বোধন ৬০০ নবীন শিক্ষার্থীকে কুরআন শরীফ উপহার দিল নোবিপ্রবি ছাত্রশিবির নজরুলের ৪৯তম প্রয়াণ দিবসে নোবিপ্রবি ‘শব্দকুটির’-এর আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ২৫ গোবিপ্রবিতে সীমানা প্রাচীর, গেইট ও নতুন হল নির্মাণের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি জেলে সম্প্রদায়: জলাশয়ের সনে মিত্রতা নদী ভাঙ্গন: অস্তিত্বে দিশাহীন প্রান্তিক মানুষ নিখোঁজ মেয়ের খোঁজে পথে পথে বাবা সবুজ গ্রামবাংলা: নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও জীবন্ত চিত্র মানবিক চেতনাবোধ: জীবের প্রতি প্রেম যবিপ্রবির সহকারী অধ্যাপক ড. ফিরোজ কবির সাময়িক বরখাস্ত, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ প্রথম আলোতে ভুল সংবাদ প্রকাশে রবিসাসের তীব্র নিন্দা আশ্বাসের ফাঁদে আটকে নোবিপ্রবির একমাত্র ক্যাফেটেরিয়া দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন মডেল হতে পারে বরিশাল : শারমিন বিনতে সিদ্দিক মেধা ও মননের বিকাশে নেভি এ্যাংকরেজ স্কুলের বার্ষিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

নাব্যতা সংকটের কারনে ব্যাহত হচ্ছে পটুয়াখালী- ঢাকা লঞ্চ চলাচল

সিফাত হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪০৪ ০০০ বার

পটুয়াখালীর অনেকেই ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর আসার জন্য নদী পথকে বেছে নেয়। পটুয়াখালীর দক্ষিণ অঞ্চলে শীত মৌসুমে লাউকাঠি, লোহালিয়া, কারখানা ও কবাই নদ-নদীতে ডুবোচরে প্রায়ই আটকে পড়ছে লঞ্চ। আরও কয়েকটি স্থানে ডুবোচর আছে।

নদীতে অন্তত ২ মিটার গভীরতা থাকলে নৌযান চলাচল করতে পারে। কিন্তু ভাটার সময় অনেক স্থানে দেড় মিটার গভীরতা পাওয়া যায়।

শীত মৌসুমের শুরুতে পটুয়াখালীর নদ-নদীর পানি কমে যাওয়ায় নাব্যতা-সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। নাব্যতা ফেরাতে প্রতিবছর নদীতে খননকাজ চললেও তা তেমন কাজে আসছে না।

এ অবস্থায় ঢাকা-পটুয়াখালী নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো ভাটার সময় প্রতিদিনই ডুবোচরে আটকে পড়ছে। ব্যাহত হচ্ছে চলাচল।

পটুয়াখালী-ঢাকা নৌপথে মোট ১০টি দ্বিতল লঞ্চ চলাচল করে। এ ছাড়া গলাচিপা থেকে পটুয়াখালী হয়ে এই পথে ঢাকায় যাতায়াত করছে ৪টি দোতলা লঞ্চ।

এই লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশে পটুয়াখালী থেকে ছেড়ে যাওয়ার পরপরই পটুয়াখালী নদীবন্দর প্রবেশমুখে লাউকাঠি নদীর ডুবোচরে লঞ্চগুলো বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। এরপর লোহালিয়া, কারখানা, কবাই নদ-নদীর ডুবোচরে প্রায়ই আটকে পড়ছে লঞ্চগুলো।

এ সময় গন্তব্যে পৌঁছাতে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হয় লঞ্চগুলোকে। নৌপথের নাব্যতা সংকটের কথা উল্লেখ করে লঞ্চের মাস্টাররা যৌথভাবে নদীবন্দরে লিখিত আবেদনে বলেছেন, যেকোনো সময়ে এই নৌপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার আশঙ্কা

রয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী নদীবন্দর থেকে নদী খননের জন্য বিআইডব্লিউটিএ ঢাকা ড্রেজিং বিভাগের তিনটি খননযন্ত্র নদী খননের কাজ শুরু করেছে।

নদীর নাব্যতা ফেরাতে ডি-পূর্ণভার নামের ড্রেজারটি ৯ অক্টোবর থেকে আফালকাঠি-সোনাকান্দা এলাকায় কবাই নদে খননকাজ শুরু করেছে।

আরডিএল-১ ড্রেজারটি ২০ অক্টোবর থেকে কবারই-সোনাকান্দা এলাকায় খননকাজ করছে। এ ছাড়া ১৩ অক্টোবর থেকে ডি-১৩৮ ড্রেজারটি লোহালিয়া নদীতে খনন শুরু করেছে।

এদিকে নদী খনন করা হলেও এখনো নাব্যতা ফেরেনি। ১৩ নভেম্বর রাতে পটুয়াখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া এআর খান-১ লঞ্চটি শত শত যাত্রী নিয়ে আফালকাঠি এলাকার কারখানা নদে ডুবোচরে আটকে পড়ে।

এর পরদিন ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নাব্যতা-সংকটের কারণে একই স্থানে তিনটি দোতলা লঞ্চ সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবোচরে আটকে পড়ে।

লঞ্চগুলো হচ্ছে সুন্দরবন-১৪, রয়েল ক্রুজ-১ ও জামাল-৫। প্রায় তিন ঘণ্টা পর জোয়ারের সময় নদীর পানি বাড়লে লঞ্চগুলো নির্দিষ্ট গন্তব্যে ছেড়ে যায়।

গলাচিপা টু ঢাকা এম ভি পূবালী লঞ্চের সিনিয়র মাষ্টার মোঃ জসিমউদদীন জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদী খনন চললেও নদীর নাব্যতা ফিরে আসেনি।

নদীতে ২ মিটার গভীরতা থাকলেও নৌযান চলাচল করতে পারে। কিন্তু ভাটার সময় অনেক স্থানে দেড় মিটার গভীরতা পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক খাজা সাদিকুর রহমান বলেন, সকল নৌ-জান লঞ্চের মাষ্টার লিখিত ভাবে আমাদের জানিয়েছেন।

আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র ড্রেজিং বিভাগের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে লিখিত ভাবে জানিয়েছি। আশা করছি নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত’ই এর সমাধান হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..