সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্রদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত পাবনায় পানিতে ডুবে ১২ বছরের কিশোরের মৃত্যু রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ফটোগ্রাফি সোসাইটির নতুন কমিটি গঠন  দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন কয়রাবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়  পাবনায় প্রথমবারের মত আয়োজিত হতে যাচ্ছে ক্যাট শো প্রতিযোগিতা ঈশ্বরদীতে বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত; তদন্ত কমিটি গঠন হায়দারপুরে এক রাতে ১৫ টি গরু চুরি জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম রবীন্দ্র জয়ন্তীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের নেতৃত্বে দেওয়ান—শাওন ব্যাগ ভর্তি টাকা সহ সুজানগর উপজেলা নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী আটক কক্সবাজার জেলায় ১০ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারি অফিসার মহসিন, শ্রেষ্ঠ অস্ত্র উদ্ধারকারী সোলায়মান যবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে বৈশাখী মেলা ও লোকসংস্কৃতি উৎসব চকরিয়ার হারবাংয়ে হাতি মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে কৃষকের মৃত্যু শহীদ এম মনসুর আলী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল আর নেই আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাচন ২৯ মে, চেয়ারম্যান পদে লড়বেন ৩ জন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দৈনিক সমকালে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে  শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ বর্ণাঢ্য আয়োজনে হকৃবিতে প্রথম ‘বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৪ উদযাপিত চকরিয়ায় জেলের ছদ্মবেশে অভিযান; ১২ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ আটঘরিয়ায় ৩ কৃষকের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মীভূত বাউরেসের কৃষি সাংবাদিকতা পুরস্কার পেলেন আবুল বাশার মিরাজ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বয় সভা আটঘরিয়ার একাডেমিক সুপারভাইজারের বিদায় সংবর্ধনা চকরিয়ায় মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে গণ-ডাকাতি, গুলি বিনিময়, পুলিশসহ গুলিবিদ্ধ ২

ভালোবাসার আরেক নাম “মা”

তানজিলা আক্তার লিজা, ডিআইইউ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ৬১৯ ০০০ বার

নাম আমার মিতু। পেশায় একজন ডাক্তার। রোগীর রোগ নির্ধারণ করে তাকে সেবা প্রদান করা আমার কর্তব্য। যখন এই পেশায় নিয়োজিত হয়েছি ঠিক তখনি শপথ নিয়েছি এই সেবা প্রদান যুদ্ধে সবসময় জয়ী হবো যত বাধাই আসুক না কেনো।

মানবসেবা এই ডাক্তার পেশায় আসার পর আমার এক ছোট মেয়ে আছে তাসফিয়া তাকে সময় দেওয়া আমার আর হয়ে উঠে না। অন্যান্য মায়েদের মতো সবসময় তাকে নিয়ে তার বিদ্যালয়ে যাওয়া হয় না। তার গানের ক্লাসেও না। তাকে নিয়ে বাগানে লুকোচুরি খেলাও হয় না।

তাসফিয়া : মামনি, তুমি বড্ড পচাঁ। আমাকে ভালোই বাসো না। তোমার সাথে আড়ি। আমি চলে যাবো নানু বাড়ি।

ওর নানু বাড়ি বলতে শুনা মাত্রই মনে পরে গেলো আমার শৈশবের কথা। আমার “মা” ছিলেন একজন নার্স।
রোগীদের ঔষধ খাওয়া থেকে শুরু করে তাদের শীঘ্রই সেরে উঠার পিছনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এই পেশায়(নার্স) যারা জড়িত তাদের।।
তাসফিয়া এখন আমাকে নিয়ে যা অভিযোগ করে। আমি তো এর থেকেও বেশি অভিযোগ তুলে ধরতাম শৈশবে আমার মার কাছে।

মিতু: মা তুমি কি আমার মা নও। ভালো কি বাসো না। কেনো তুমি আমার সাথে খেলো না। কেনো আমাকে খাইয়ে দেও না। তুমি সবসময় চলে যাও তোমার হাসপাতালে। এই রকম নানান অভিযোগ ফোনে কল করে বলতাম।

আর আমার “মা” শুনতো আর হাসতো।
আর বলতো,
মা: মেয়ে আমার শুনো তুমি তো এখনো ছোট। যখন বড় হবে আমার স্বপ্ন পূরণ করে ডাক্তার হবে। তখন তুমি এই সকল প্রশ্নের উত্তর পাবে।

আমি যখন নবম শ্রেনীতে পড়ি। আমার এক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেই অনুষ্ঠানে আমি নাচে অংশগ্রহণ করেছিলাম।ছোট থেকেই যদি কোনো প্রোগ্রাম হতো বাবাই নিয়ে দিয়ে আসতো। সেদিন ও বাবাই নিয়ে দিয়ে আসছিল। আমি প্রোগাম শেষে বাড়ি ফিরছি হাতে এক গিফ্ট ছিলো কারন আমি নাচে দ্বিতীয় হয়েছিলাম।

আমাদের বাড়ির পথে রাস্তা পার হবার সময় এক গাড়ি আমাকে অনেক জোড়ে ধাক্কা দেওয়াই ছিটকে পরে যায়। তখন আর আমার কিছু মনে নেই কি হয়েছিল আমার। শুধু এইটুকু মনে ছিলো শেষ মূহুর্তে আমি একটা কথা বলছিলাম “মা”।

যখন জ্ঞান আসে ফিরে দেখি আমার পাশের সিটে আমার মা আর আমি তার পাশের সিটে দুজনেরই এক চোখে বেন্ডেজ।
ডাক্তার এসে বললো, ” মামনি তোমার চোখের বেন্ডেজ এখন আমরা খুলে দিবো দেখোতো তুমি সব কি দেখছো দুচোখে “?

হ্যাঁ, আমি সব দেখছি।
আর আমার মার ব্যান্ডেজ খুলা মাত্রই আমার বুজতে বাকি রইলো না আমার মা আমাকে তার চোখ দিয়ে আবার নতুন ভাবে পৃথিবী দেখার সুযোগ করে দিয়েছে।

সেদিনের পর থেকে মা আর তার পেশায় যায় নি। আমাকে সময় দিয়েছে। আমার পরে আর তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিলো না।
এখন নিজের মেয়ে যখন অভিযোগ তুলে তখন আমিও আমার মায়ের মতো হেসে বলি।
মামনি, সকল প্রশ্নের উত্তর পাবে বড় হলে।

মা, হক গৃহিণী, ডাক্তার, পাইলট, সাংবাদিক, উকিল যাই হক না কেনো সব মায়ের ভালোবাসা এক। শুধু সময় পার্থক্য, ভালোবাসার নয়। মা হচ্ছেন একজন নারী, যিনি গর্ভধারণ, সন্তানের জন্ম তথা সন্তানকে বড় করে তোলেন – তিনিই অভিভাবকের ভূমিকা পালনে সক্ষম ও মা হিসেবে সর্বত্র পরিচিত।
মা ছাড়া আমাদের জীবনটাও এক মুহুর্ত কল্পনা করা যায় না।

লেখকঃ তানজিলা আক্তার লিজা,
শিক্ষার্থী,ফার্মেসি বিভাগ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..