বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
দৌলতপুরে প্রধান শিক্ষক আলী আকবর কর্তৃক ২ ছাত্রী কে বেদম প্রহার কুষ্টিয়া ভেড়ামারার হিসনা নদী দখল মুক্ত ও পুনঃখননের দাবী শার্শা সীমান্তে দেড় কোটি টাকার সোনা উদ্ধার, পাচারকারী আটক বাউফলে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ইউপি সদস্যকে আর্থিক জরিমানা হ্যাকিংয়ের শিকার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ফেসবুক আইডি চকরিয়া কোনাখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নদীর নাব্যতাসহ হুমকির মুখে পরিবেশ শোক দিবস উপলক্ষে দিশা কুমারখালি শাখার পক্ষে দোয়া মাহফিল,বৃক্ষরোপণ বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে- অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এমপি বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার খসরু পারভজের পুষ্পস্তবক অর্পণ যথাযোগ্য মর্যাদায় বশেমুরবিপ্রবিতে জাতীয় শোক দিবস পালিত বঙ্গবন্ধু মাটি ও মানুষের পরম আত্মীয়: পাবিপ্রবি ছাত্রলীগ ও বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাল ডিআইইউ জাতীয় শোক দিবসে পাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতা ইমনের পথশিশুদের নিয়ে ব্যাতিক্রম কার্যক্রম জাতীয় শোক দিবসে পাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতা রাসেলের বৃক্ষরোপন ও খাদ্য বিতরণ ‘আইসিটি পার্ক’ নিয়ে শতভাগ শিক্ষকের ‘না’; বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির বিবৃতি শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে দেয়ালিকা উন্মোচন  বি ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার শিক্ষার্থীদের সেবায় পাবিপ্রবি ছাত্রলীগ বশেমুরবিপ্রবিতে ‘বি’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত কুতুবদিয়া-মগনামা ঘাট পারাপারে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মানছে না ইজারাদার, ভোগান্তি চরমে ভেড়ামারা দফাদার ফিলিং স্টেশনে আগুন, নিহত ২ চকরিয়ায় অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা জমজমাট কুষ্টিয়ার আল্লারদর্গায় পেট্রোল পাম্পে বিস্ফোরণে দুজন নিহত গোপালগঞ্জে Nature is the best teacher শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত পাবিপ্রবির ভবিষ্যত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস। নোবিপ্রবিতে শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষে The STEMEd Club এর আয়োজন

শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন ঠেকাতে দেশে আলাদা ট্রাইবুনাল গঠনের প্রয়োজন

মতামত ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৮৫ ০০০ বার

শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন ঠেকাতে দেশে আলাদা ট্রাইবুনাল গঠনের প্রয়োজন।

 

দেশে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদা একটা সমিতি গঠন করা উচিত।যারা শিক্ষার্থীদের অধিকার সংরক্ষণে কাজ করবে।আর শিক্ষার্থীদের উপর হওয়া বিভিন্ন নির্যাতন প্রতিরোধে আলাদা ট্রাইবুনাল গঠনের খুব বেশি প্রয়োজন। যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বিক বিচার ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব তারা বহন করবে।

ছাত্র-ছাত্রীদের পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে তারা। নির্দিষ্ট আইন অনুযায়ী কাজ করবে তারা।
যেন দেশের যেকোনো প্রান্তে অবস্থানরত কোনো শিক্ষার্থী নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে।
দেশের উচ্চ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই নিজের বাড়ি থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে পড়াশুনা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান নিজ বাসস্থান থেকে অনেক দূরে হওয়ায় শিক্ষার্থীকে পরিবার পরিজন ছেড়ে দূরে থাকতে হয়।
এমতাবস্থায় সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশেপাশে বসবাসরত প্রতিবেশী আর বন্ধুবান্ধবই তাদের একমাত্র ভরসা,যারা বিপদে সাহায্য করবে।
কিন্তু সেখানে প্রতিবেশি, শ্রমিক, বা বন্ধুবান্ধব, বড়ভাই-আপুদের থেকেই যদি নিগ্রহের, ও নির্মম বর্বরতার শিকার হতে হয় তাহলে আর নিরাপত্তা কই? আমরা আবরারের ঘটনা দেখেছি, গতকাল আর আজকের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা দেখছি।এমন ঘটনা আরো ঘটেছে।
একটা প্রশ্ন তো থেকেই যায় যে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কোথায়?
কার ভরসায় বাবা মা তার আদরের সন্তানকে এতো দূরে বিদ্যালাভ করতে পাঠাবে?
বর্তমানে শিক্ষার্থীদের নিজেদের মধ্যে ও বাইরের মানুষের সাথে দাঙ্গা, হাঙ্গামার ঘটনা নিত্যদিনের ঘটনার মতো হয়ে গেছে। কিছুদিন পরপরই এসব ঘটনা শোনা যায়। আর তারপর ই শুরু হয় সঠিক বিচার লাভের আশায় আন্দোলন,বিক্ষোভ।
মাঝে মাঝে এই বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ তাদের বল প্রয়োগ করে।কখনো কখনো অনেক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে জেলে বন্দি করা হয়। আর তখনি সেই শিক্ষার্থীর জীবনে একটা দাগ লেগে যায়। যা তার চাকরিজীবনসহ সবখানেই বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
এইভাবেই অনেক শিক্ষার্থী রাজনীতিতে প্রবেশ করে ক্যারিয়ারও নষ্ট করে।যা তার পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। এতে তার জীবন হতাশায় ছেয়ে যায়।
এসবের দায় কে নেবে?
মাঝে মাঝে এই ঘটনাগুলোর প্রভাব কিছু কিছু ছেলে- মেয়ের জীবনে বিরূপভাবে পরে। পরিবার এসব ঘটনার পূর্বচিন্তা করে তাকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।মেয়েদেরবিবাহ নামক বাধার বন্ধনে আবদ্ধ করে দেয়। তখন মেয়েটির সব স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়। এভাবেই অনেক মেয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।শুধুমাত্র নিরাপত্তার অভাবে।
একটি দেশের উন্নতি কি শুধু শিক্ষিত পুরুষ সমাজের উপর নির্ভর করে? মেয়েদের ভুমিকাকে তো অগ্রাহ্য করলে চলবেনা। মেয়েরা উচ্চশিক্ষিত না হলে শিক্ষিত জাতি গড়বে কে?
এসব দিক বিবেচনা করে একটি সংগঠন/সমিতির ও ট্রাইবুনালের অনেক প্রয়োজন বোধ করি।

    1. যেখানে শিক্ষার্থীদের সকল দাবি বিবেচিত হবে।
    2. শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধান করা হবে।
    3. কোনো শিক্ষার্থী যেন আর্থিক অভাব,সামাজিক ও পারিবারিক বাধার কবলে পরে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয় সেই বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে।
    4. শিক্ষার্থীদের যেন আন্দোলনে নেমে শিক্ষাজীবনের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের সমস্যা নির্মূল করা হয় সে বিষয় নিশ্চিত করতে হবে।

দেশের কোনো প্রান্তে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে পরলে যেন এই সংগঠনটি অভিভাবক এর মতো ভূমিকা পালন করে তাকে সঠিক ভাবে আইনের সহায়তায় বিপদ থেকে মুক্ত করতে পারে।
কড়া আইন বিধান করতে হবে এবং তা কার্যকর করতে হবে।

আমি মনে করি এতে ধর্ষণের মতো ভয়ঙ্কর সমস্যাও কিছুটা নির্মূল হবে। মেয়েরা উচ্চশিক্ষিত হতে পারবে।

লেখাপড়ার জীবনে বারবার আন্দোলনে অংশ নিয়ে দিনশেষে উশৃঙ্খলতার পর্যায়ে চলে যায় অনেকে।

আমরা একটা সুন্দর, শিক্ষিত জাতি চাই। উশৃঙ্খল, বর্বর ও বিগ্রহপটু জাতি নয়।

লেখকঃ সাদিয়া আক্তার অথৈ,
শিক্ষার্থী,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গোপালগঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..