বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
বাংলাদেশ সারাবেলা ডটকমে আপনাদের স্বাগতম। সারাদেশের জেলা,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে  প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন - ০১৭৯৭-২৮১৪২৮ নাম্বারে
সংবাদ শিরোনাম ::
চোরের তথ্য দিয়ে ফেঁসে গেলো যুবক, গোপন লেনদেন করে ছাড় পেলেন চোর ইবি টিএসসিসি’র নতুন পরিচালক অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ পাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান পাবিপ্রবিতে দুইদিন ব্যাপী আইটি ফেয়ারের আয়োজন হারবাং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য সহকারীর অনিয়ম, সেবা বঞ্চিত রোগীরা নতুন নেতৃবে ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটি পাবিপ্রবিতে আইপিএল/বিপিএল আদলে খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত গভীর রাতে অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করল ছাত্র ইউনিয়ন পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুন্নবী নিবিড় চকরিয়ায় বিপন্ন প্রজাতির ভাল্লুক শাবকসহ পাচারকারী আটক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজস্ব তহবিল গড়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর পাবনা ডিবেট সোসাইটির (পিডিএস) নতুন কমিটি ঘোষনা পাবিপ্রবিতে সলভার গ্রিনের উদ্যোগে ইন্ট্রা ইউনিভার্সিটি প্রেজেন্টেশন কম্পিটিশনের আয়োজন বেনাপোলে ইয়াবা সহ একাধিক মামলার আসামী গ্রেফতার টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমাঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভুমিকা দুমকিতে গাঁজাসহ যুবক আটক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস; মুক্তির পূর্ণতার দিন নুরের শাস্তির দাবিতে কুবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মানববন্ধন ইবির আইন বিভাগে পিএইচডি সেমিনার সিভাসুতে বায়োকেমিস্ট্রি লেকচার প্রতিযোগিতা-২০২৩ অনুষ্ঠিত বেনাপোলে পরোয়ানাভুক্ত ৯ আসামী গ্রেফতার; বিদেশী মদ উদ্ধার পাবিপ্রবিতে সেন্ট্রাল ক্যাফেটেরিয়ার মান উন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ  পাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  ভেড়ামারায় রহিমা আফসার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন দুমকীতে অসহায় যমজ ৩ শিশু’র পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা চেয়ারম্যান

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বিজয়ের পূর্ণতা

বাংলাদেশ সারাবেলা বিশেষ রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩০০ ০০০ বার

দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর বিজয় অর্জিত হলেও এই বিজয়ের পূর্নতা পায় ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, যখন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতার বীজ বপনকারী, স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে আসেন।

পাকিস্তানের কারাগার থেকে দীর্ঘ সাড়ে নয় মাস পর মুক্তি পেয়ে ৯ জানুয়ারি ১৯৭২, বঙ্গবন্ধু যখন লন্ডনের হিথ্রু বিমানবন্দরে পৌঁছান, তারপরই বাঙ্গালী জাতি জানতে পারে, তাদের প্রানের নেতা পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই বাংলার আকাশ বাতাসে এই সুসংবাদের কথা ছড়িয়ে পড়ে।লন্ডন থেকে ঢাকা আসার পথে, ভারতে যাত্রা বিরতি ছিল নয়াদিল্লিতে। বিমানবন্দরে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান।

ভারতের মাটিতে লাখো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান। বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী জাতির পক্ষে মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সরকার ও জনগণের ভুমিকার কথা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেন ও ধন্যবাদ জানান।

বাংলার মুক্তিকামী মানুষের মাঝে এই দিনটি ছিল আবেগ আপ্লূত আনন্দে ভরপুর, শত দুশ্চিন্তার অবসান ঘটিয়ে প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার অপেক্ষায় লাখো জনতা সেদিন জড়ো হয়েছিল বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দানে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়েছে সারা ঢাকা। যখন শত অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নতুন সূর্যলোকের মতো বাংলার মাটিতে পা দেন স্বাধীনতার মহানায়ক, তখন আনন্দে অশ্রুসজল হয়েছিলো মুক্তিকামী বাংলার মানুষ।
সদ্য স্বাধীন স্বদেশের মাটিতে পা রেখে কিংবদন্তী এ মহানায়ক শিশুর মত আবেগে আপ্লুত হলেন, আনন্দ ও বেদনার অশ্রুধারা নামল তার দুচোখে।

লক্ষ জনতার বিশাল সমাবেশে ভাষন দিতে গিয়ে সেদিন বঙ্গবন্ধু বারেবারে আবেগ আপ্লূত হয়ে পড়ছিলেন। লাখো শহীদের আত্মদানের কথা শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরন করে বঙ্গবন্ধু সেদিন বক্তব্য শুরু করেন। বঙ্গবন্ধু সেদিন বলেন আমার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে, আমার জীবনের স্বাদ আজ পূর্ণ হয়েছে, আমার বাংলার মানুষ আজ মুক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু এক কোটি বাঙ্গালী ভারতে আশ্রয় দেওয়া, খাবার দেওয়া, মিত্রবাহিনীর সাহায্যের কথা উল্লেখ করে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী ও ভারতীয় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

মুক্তিযুদ্ধের শহীদের কথা স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমার বহু ভাই, বহু কর্মী, বহু মা-বোন আজ দুনিয়ায় নাই, আমি তাদের দেখবো না। আমি আজ বাংলার মানুষকে দেখলাম, বাংলার মাটিকে দেখলাম, বাংলার আকাশকে দেখলাম, বাংলার আবহাওয়াকে অনুভব করলাম। বাংলাকে আমি সালাম জানাই। আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় বড় ভালবাসি, বোধহয় তারজন্যই আমায় ডেকে নিয়ে এসেছে।

বঙ্গবন্ধু এই দেশকে শান্তিপূর্ণ সোনার বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার করেছিলেন । তাই দেশের মাটিতে পা রেখেই প্রথম বক্তব্যে কিছু দিকনির্দেশনা মূলক কথা বলেছিলেন। আজ থেকে আমার অনুরোধ একজন নেতা হিসাবে নয়, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে নয়, আমি তোমাদের ভাই তোমরা আমার ভাই।

উনি বলেছিলেন এ স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে, যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়, এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না, যদি আমার মা-বোনেরা কাপড় না পায়। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবেনা, যদি এ দেশের যুবক যারা আছে তারা চাকরি না পায়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের উন্নয়নে আশু পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য উনি জনসাধারণের প্রতি আহবান জানান। রাস্তা ঘাট যেগুলো ভেঙে গিয়েছে সেগুলো তোমাদের নিজেদের ঠিক করতে, জমিতে ফসল তোমাদের নিজেদের ফলাতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে উনি সকলকে ঘুষ না খেতে অনুরোধ করেন।

বঙ্গবন্ধুর এই দেখানো পথে হাটছেন তার যোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। বর্তমান সারা বিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নে মুগ্ধ। শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে , সারা বিশ্ব অবাক বিশ্বয়ে দেখবে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখক:
মোঃ শফিকুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, ভেটেরিনারি মেডিসিন বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..